জলীয় কিছু জমে শরীরের কোনো অংশ ফুলে ওঠাকে বলে ইডেমা। শরীরের অনেক অংশেই এমন পানি জমতে পারে, তবে মাধ্যাকর্ষণের কারণে শরীরের নিচের দিকে পানি জমে বেশি।
প্রথমেই লক্ষ্য করার বিষয় হলো দুই পা ফোলা, নাকি এক পা।
দুই পা একসঙ্গে ফুলে গেলে নিচের কারণগুলো বিবেচনায় নিতে হবে-
শরীরের নিম্ন ভাগ থেকে রক্ত ফেরত নেওয়ার কাজ করে যেসব শিরা, কোনো কারণে এসবের কোনোটিতে রক্ত জমাট বেঁধে গেলে তাকে বলে ‘ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস’ (ডিভিটি)। ধমনির মাধ্যমে রক্ত পায়ে আসছে কিন্তু ফেরত যেতে পারছে না, তাই পা ফুলে গেছে। জমাট রক্তপিণ্ড হার্ট কিংবা ফুসফুসে গিয়ে তৈরি করতে পারে মারাত্মক সমস্যা। হঠাৎ ব্যথার সঙ্গে এক পা ফুলে শক্ত হয়ে যাওয়া ডিভিটির মূল লক্ষণ। এর ঝুঁকি বাড়ে যদি কোনো রোগী দীর্ঘদিন বিছানাবন্দী থাকেন, ক্যানসারে ভোগেন, পায়ে কোনো আঘাত পান, উড়োজাহাজ, ট্রেন বা বাসে লম্বা পথ ভ্রমণ করেন।
এ ছাড়া লসিকা নালিতে ব্লক (লিম্ফ ইডেমা), প্রদাহ বা জীবাণুর সংক্রমণে সেলুলাইটিস হওয়ার কারণে পা ফুলতে পারে। অনেক সময় হাড়ক্ষয়জনিত হাঁটু ব্যথাও পা ফোলার জন্য দায়ী।
কিছু নিয়ম মেনে চললে পা ফোলা সাময়িক কমে যেতে পারে। যেমন:
হঠাৎ পা ফুলে যাওয়া যেমন সাময়িক কারণে হতে পারে, আবার গুরুতর অন্তর্নিহিত রোগের লক্ষণও হতে পারে। এ জন্য ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে এবং প্রয়োজন মতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সঠিক কারণ জেনে নেওয়া ভালো।