লৌহজং প্রতিনিধি-মোঃ স্বপন বেপারী
পদ্মা সেতু এলাকায় ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন ও যানজট মুক্ত রাখতে সব ধরনের ব্যবস্হা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুন্সিগঞ্জ সৈয়দা নুরমহল আশরাফী। ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে পদ্মা সেতু টোল প্লাজা মাওয়া প্রান্তে পরিদর্শনে এসে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।জেলা প্রশাসক জানান, ঈদ যাত্রায় জন সাধারনের যাতে কোন ধরনের সমস্যা বা ভাগান্তি না হয় সেই দিকে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসন সহ আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা সব সময় সজাগ দৃষ্টি রাখছে। কোন প্রকার যাত্রী হয়রানির খবর পাওয়ার সাথে সাথে তারা তাৎক্ষনাত ব্যবস্হা গ্রহন করছেন। ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে যাওয়া শুধু নয় তাদের ফিরে আসা পর্যন্ত আামাদের টিম সার্বক্ষনিক মাঠে থাকবে।পরিদর্শনের সময় তার সাথে ছিলো পুলিশ সুপার মুন্সিগঞ্জ মো. মেনহাজুল আলম (পিপিএম), অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাউল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) মো. ফিরোজ কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শ্রীনগর সার্কেল) মো. আনিছুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার লৌহজং ফারজানা ববি মিতু, লৌহজং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বাসিত সাত্তার, পদ্মা সেতু সাইড অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়াদ নিলয়, পদ্মা সেতু (উত্তর) থানা অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মোহাম্মদ আক্তার হোসেন, অফিসার ইনচার্জ শ্রীনগর থানা মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা সহ আইন শৃংখলা বাহিনীর অন্যান্য কর্মকর্তাগন। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির তৃতীয় দিনেও ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের চাপ বাড়ছে মুন্সীগঞ্জের ঢাকা-মাওয়া-ভাংগা এক্সপ্রেসওয়েসহ পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে। দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের ২৩ জেলার অসংখ্য মানুষ পদ্না সেতুর মাওয়া প্রান্ত হয়ে ছুটে চলছে তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে। নাড়ীর টানে বাড়ী ফেরা এসব যাত্রী ও যানবাহনের চলাচল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন নিয়েছে নানা ধরনের উদ্যোগ।এছাড়াও ঢাকা-মাওয়া-এক্সপ্রেসওয়েতে ও ঢাকা-চট্রগ্রাম মহা সড়কের গজারিয়ায় অংশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের পাশাপাশি রয়েছে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এদিকে পদ্মা সেতুতে বাড়ানো হয়েছে বাড়তী জনবল।