১৫ মার্চ থেকে আজ ১১ এপ্রিল, এ পর্যন্ত অন্তত ১৪৩ জন মারা গেছে, তাদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু৷ ১২ হাজারেরও বেশি রোগীকে সম্ভাব্য হাম-রোগী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে৷ গত ২০ বছরে বাংলাদেশে এমন ঘটনা ঘটেনি।
পর্যালোচনা করে দেখা যায়, শিশু সন্তানের অসহ্য যন্ত্রণা ও শ্বাসকষ্ট প্রশমন করতে কোলে নিয়ে তাকে দোল দিচ্ছিলেন ১৮ বছর বয়সি রুবিয়া আক্তার বৃষ্টি আর বর্ণনা করছিলেন প্রাণঘাতী হামের প্রাদুর্ভাব তার ছেলেকে কীভাবে প্রায় মৃত্যুর দ্বারে নিয়েছিল৷
এছাড়াও হাসপাতারের ওয়ার্ডগুলো জুড়ে চলছে শিশুদের কাশি আর যন্ত্রণা-কাতর আর্তনাদ, ছোট্ট শরীরগুলো র্যাশে ক্ষতবিক্ষত৷ সন্তানদের মুখের ওপর নেবুলাইজার ধরে রেখেছেন মায়েরা, যাতে ওদের ছোট্ট ফুসফুস একটু বাতাস নিতে পারে৷
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বের অন্যতম সংক্রামক রোগ হাম, যা কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে ছড়ায়৷ যে-কোনো বয়সের মানুষেরই এ রোগ হতে পারে৷ তবে শিশুদের মধ্যেই এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়৷ হামের সুচিকিৎসা না হলে রোগীর মস্তিষ্কের ফোলাভাব দেখা দিতে পারে, গুরুতর শ্বাসকষ্টের মতো জটিলতাও সৃষ্টি হতে পারে৷